“সকল সন্ত্রাস-ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ভোটকেন্দ্রে যান ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন” - বাম গণতান্ত্রিক জোটের আহ্বান | -1 | একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশবাসীর প্রতি বাম গণতান্ত্রিক জোটের আহ্বান | PACIFIST JOURNAL 

Eduardo Ruman (In Memoriam)
President-Director
Administrative And Entrepreneur
Denise Ruman
MTB - 0086489
JORNALISTA RESPONSÁVEL
The Biggest and Best International Newspaper for World Peace
Founder, President And International General Chief-Director :  Denise Ruman - MTB: 0086489 / SP-BRAZIL
Mentor of the Newspaper : José Cardoso Salvador (in memoriam)
Mentor-Director : Mahavátar Babají (in memoriam)
Last Time

-1 / 29/12/2018

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশবাসীর প্রতি বাম গণতান্ত্রিক জোটের আহ্বান

“সকল সন্ত্রাস-ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ভোটকেন্দ্রে যান ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন” - বাম গণতান্ত্রিক জোটের আহ্বান

0 votes
“ সকল সন্ত্রাস-ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ভোটকেন্দ্রে যান ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন” - বাম গণতান্ত্রিক জোটের আহ্বান


একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশবাসীর প্রতি বাম গণতান্ত্রিক জোটের আহ্বান
“ সকল সন্ত্রাস-ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ভোটকেন্দ্রে যান ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন”

"আজ ২৯ ডিসেম্বর, শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় ২ কমরেড মণি সিংহ সড়কস্থ মুক্তিভবনের মৈত্রী মিলনায়তনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বচনকে সামনে রেখে বাম গণতান্ত্রিক জোটের প্রেস ব্রিফিং এর লিখিত বক্তব্য।"

১. নির্বাচনকালীন তদারকি সরকার, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ও সংসদ বাতিলের দাবীকে উপেক্ষা করে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনের প্রাক্কালে, একতরফা পরিবেশে একথা দিবালোকের মত স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, বর্তমান বাস্তবতায় দলীয় সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব না।
২. ২০১৪ সালের মতো এবারও খালি মাঠে গোল করার সুযোগ না পেয়ে আওয়ামী লীগ সরকার প্রশাসনকে ব্যবহার করে সন্ত্রাস, হামলা, মামলা, হুমকি-ধামকি দিয়ে ‘নিয়ন্ত্রিত ভোটে আনুষ্ঠানিকভাবে জেতার’ আয়োজন সম্পন্ন করেছে।
৩. সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করতে নির্বাচন কমিশনের কোন কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বরং সরকারের নীল নকশা বাস্তবায়নে তারা তৎপর রয়েছে। নির্বাচন কমিশন দাবি করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যদি তাই হয়, তাহলে যে সকল গ্রেপ্তার, হামলা, মামলা হচ্ছে তা কমিশনের হুকুমেই হচ্ছে। অর্থাৎ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, সরকার, প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন একাকার হয়ে ‘নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনের’ নীল নকশা বাস্তবায়ন করছে। এটি বস্তবায়িত হলে, তা দেশের ইতিহাসে নজিবিহীন, অন্যতম কলংকজনক নির্বাচন হিসেবে চিহ্নিত হবে।
৪. নির্বাচনে সরকার প্রধান বিএনপির কাছে থেকে ‘টাকা নিয়ে নৌকায় ভোট দিতে বলার’ মত অনৈতিকতাকে উস্কে দিয়েছেন। মুজিব কোট বানানো, পুলিশ হত্যা ও ভূয়া ব্যালট পেপার ছাপানোর কথা প্রধানমন্ত্রী বললেও সুনির্দিষ্ট অভিযোগে কারোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেখিনি। যা একাধারে নির্বাচনের আচরণ বিধির লংঘন এবং গুজব ছড়ানোর মতো অপরাধ। কমিশন এ ব্যাপারে নিরব।
৫. বাম জোটের প্রার্থীসহ বিরোধী দলের উপর সন্ত্রাস, নির্যাতনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ কমিশনে করা হলেও তার কোন অভিযোগ তদন্ত করার ব্যবস্থা করেনি বরং আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় অভিযোগ নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রিতায় নির্বাচন পার হয়ে যাচ্ছে। অথচ প্রয়োজন ছিল কমিশনের সুয়োমটো করা। সবার অবাধ প্রচারের সমসুযোগ নিশ্চিত হয়নি। সব চলছে প্রধানত একতরফাভাবে সরকার দলের পক্ষে।
৬. সাধারণ মানুষ ভোটের দিনের কথা চিন্তা করে, আতঙ্ক নিয়ে দিন কাটাচ্ছে। তার মধ্যে নির্বাচন কমিশন প্রকাশ্যে হাসপাতালগুলোকে জরুরি সেবার জন্য প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেয়ায় আশংকা আরো বেড়েছে।
৭. মানুষ মনে করেছিল সেনা মোতায়েনের পর পরিস্থিতির উন্নতি হবে, কিন্তু ২৪ তারিখ সেনা মোতায়েনেরে পরও পরিস্থিতির কোন উন্নতি হয়নি বরং গ্রেপ্তার, হামলা, বাঁধাদান অব্যাহত আছে। গতকালও বিরোধী প্রার্থীদের বাড়ি তল্লাশী ও কর্মী গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে।
৮. সরকারের এই নীল নকশা বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতে সরকার আরও কর্তৃত্ববাদী, স্বৈরাচারী হয়ে উঠবে, পূর্ণ ফ্যাসীবাদী রুপে আবির্ভূত হবে।
৯. দেশের মানুষই কেবল তার ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে সরকারের এই নীল নকশা প্রতিহত করতে পারে। তাই দেশের গণতন্ত্র রক্ষার জন্য আমরা দেশবাসীকে ৩০ ডিসেম্বর সকল সন্ত্রাস-ভয়ভীতি উপেক্ষা করে সকাল-সকাল ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।

১০. আমরা আগেই বলেছি, বর্তমান সরকারের অধিনে অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে না। অংশগ্রহণমূলক হলেই অবাধ, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন হয় না। গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সংখ্যানুপাতিক ব্যবস্থা চালুসহ পুরো নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার যে জরুরি- এ কথা অনেকদিন ধরে বলে আসছি ।

এ প্রেক্ষিতে দেশবাসীর প্রতি আমাদের আহ্বান
ক. গণতন্ত্র, গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার স্বার্থে গণআন্দোলনের পথে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। আগামীকাল সকাল সকাল ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোট নিজেই দিতে হবে, যেন অন্য কেউ দিতে না পারে।
খ. আমাদের কর্মীদের প্রতি নির্দেশ সকল সন্ত্রাস, ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে সারাদেশে ভোটকেন্দ্রে থাকবেন। সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে ভোটাধিকার রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।
এজন্য আমরা গণতন্ত্রমনা সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
গ. নির্বাচনের দিন ৩০ তারিখ বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সার্বক্ষণিক মনিটরিং সেল খোলা থাকবে। সারা দেশের সকল আসনের যেকোন অনিয়ম, ঘটনা, দুর্ঘটনা সাথে সাথে কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলে জানানোর জন্য অনুরোধ করছি ।
সংবাদ কর্মী, গণমাধ্যমের কর্মীদের প্রতিও আমাদের আহ্বান থাকবে আমাদের সহযোগিতার জন্য ।

আমরা, ৩০ ডিসেম্বর সারাদিনের ঘটনাবলী পর্যালোচনা করে আমরা আমাদের বক্তব্য তুলে ধরবো ও পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করবো।
মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত এদেশে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকারকে কেউ পদানত করতে পারবে না, এটা আমাদের বিশ্বাস।
আমরা আরো মনে করি, গায়ের জোরে ক্ষমতায় যাওয়া, থাকা বা পুনরায় টিকে থাকা যাবে, কিন্তু গনতন্ত্রকে বিজয়ী করা যাবে না ।
গায়ের জোরে চিরদিন কেউ ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না।
মানুষ জেগে উঠবে, অগণতান্ত্রিকতা, অন্ধকার, লুটপাটতন্ত্র, স্বৈরতন্ত্র, সাম্প্রদায়িকতা, পরিবারতন্ত্রকে পরাজিত করে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে। এটিই আমাদের প্রত্যাশা।
আমরা আবারও আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীকে আগামীকাল ৩০ ডিসেম্বর সকল সন্ত্রাস-ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ভোটকেন্দ্রে যেয়ে, নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার আহ্বান জানাচ্ছি ।

২৯ ডিসেম্বর ২০১৮

Fotos
2 fotos


Comentários
0 comentários


  • Enviar Comentário
    Para Enviar Comentários é Necessário estar Logado.
    Clique Aqui para Entrar ou Clique Aqui para se Cadastrar.


Ainda não Foram Enviados Comentários!


Copyright 2019 - Jornal Pacifista - All rights reserved. powered by WEB4BUSINESS

Inglês Português Frances Italiano Alemão Espanhol Árabe Bengali Urdu Esperanto Croata Chinês Coreano Grego Hebraico Japonês Hungaro Latim Persa Polonês Romeno Vietnamita Swedish Thai Czech Hindi Você